এই সাম্রাজ্যটি 3য় থেকে 13তম শতাব্দী পর্যন্ত দক্ষিণ ভারতে সমৃদ্ধ ছিল এবং এটি সামুদ্রিক বাণিজ্য এবং화려한মন্দির নির্মাণের জন্য পরিচিত ছিল।
এই সংস্কৃত মহাকাব্যটি ব্যাসের দ্বারা রচিত, এতে ভগবদ্গীতা রয়েছে এবং এটি কখনো লেখা দীর্ঘতম মহাকাব্য।
হিন্দু দর্শনে এই ধারণাটি মহাজাগতিক বিভ্রম বা প্রতারণার শক্তিকে বোঝায় যা বস্তুগত জগতকে চূড়ান্ত বাস্তবতা হিসেবে প্রকাশ করে।
এই সংস্কৃত রচনা রাজনীতি এবং শাসনব্যবস্থা সম্পর্কিত, যা মৌর্য সাম্রাজ্যের একজন রাজকীয় পরামর্শদাতার দ্বারা আরোপিত বলে বিশ্বাস করা হয়। এটি কূটনীতি, সামরিক কৌশল এবং প্রশাসনের নীতিগুলি বর্ণনা করে।